x

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[themebari] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

শবে বরাত ও লকডাউন প্রসঙ্গে জাতির প্রতি দারুল উলুম দেওবন্দের অনুরোধ

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

জাগো প্রহরী ডেস্ক : 

প্রাণঘাতী মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে দারুল উলুম দেওবন্দ আজ ১২ শাবান জাতির প্রতি শবে বরাত ও লকডাউন প্রসঙ্গে বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে গণমাধ্যম বরাবর বার্তা পাঠিয়েছে ৷ বার্তাটিতে স্বাক্ষর করেছেন দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম হযরত মাওলানা আবুল কাসিম নোমানি ৷ নিম্নে পত্রটির বাংলা অনুবাদ তুলে ধরা হলো ৷ অনুবাদ করেছেন মাওলানা আবদুল্লাহ আল ফারুক ৷

# ১. শবে বরাত প্রসঙ্গে :

০৯ এপ্রিল বৃহ.বার শাবানের ১৪ তারিখ। কাজেই বৃহ.বার ও শুক্রবারের মধ্যবর্তী রাত শবে বরাত। এ রাতে যিকির ও ইবাদত, প্রচুর দুআ ও ইসতিগফার এবং পরবর্তী দিন রোযা রাখার ফজিলত বিভিন্ন হাদিস থেকে প্রমাণিত। কিন্তু সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণমূলক কোনো আমল প্রমাণিত নেই।  এ জন্য এ রাতে কবরস্থানে যেতে উৎসাহিত করা হয় না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুধু একবার কবরস্থানে যাওয়ার কথা বর্ণিত রয়েছে। এতদসত্ত্বেও অনেক মানুষ সম্মিলিতভাবে কবরস্থানে বা মসজিদে গমন করে থাকে এবং বিভিন্ন আমল করে থাকে। 

এ কারণে সকল মুসলমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যেখানে জরুরি আমল (জামাত সহকারে নামায ও জুমুআ ইত্যাদি) এর জন্যে বাইরে বেরুতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেখানে কেউ যেন শবে বরাতে মসজিদে বা কবরস্থানে যেতে ইচ্ছেও না করে। ঘরের শিশু ও যুবকদের বাইরে বেরুতে বারণ করে। মোমবাতি বা পটকাবাজির মতো গুনাহ ও রুসম শতভাগ পরিহার করুন। যতটুকু সম্ভব নফল নামায, দুআ ও ইসতিগফারের আমল ঘরের চৌহদ্দিতে আদায় করুন। সাধ্যে কুলালে শুক্রবার ১৫ শা‘বান রোযা রাখুন। এটি মুসতাহাব আমল। এর বাইরে সব ধরনের সম্মিলিত ও মনগড়া অপ্রমাণিত আমল পরিপূর্ণরূপে বর্জন করুন।




# ২. লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে :

করোনা ভাইরাসের তীব্র শংকার কারণে পৃথিবীর অধিকাংশ রাষ্ট্রের মতো আমাদের দেশেও লকডাউন কার্যকর রয়েছে।... কিন্তু অদ্যাবধি বিভিন্ন মানুষ সম্পর্কে অভিযোগ শোনা যাচ্ছে যে, তারা প্রায় সময় এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করছে। সম্ভবত তারা এগুলোকে স্রেফ রাষ্ট্রের প্রাশাসনিক পদক্ষেপ মনে করছে। এজন্যে সকল মুসলমানের কাছে অনুরোধ হলো, এক্ষেত্রে দুটি বিষয় মেনে চলুন,

ক. প্রশাসনিক আইন-কানুন মেনে চলা আমাদের নৈতিক ও শারঈ দায়িত্ব। বিশেষত, যখন রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞার অন্যতম লক্ষ্য থাকে, নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা বিধান।

খ. মহামারীর ক্ষেত্রে শরিয়তের নির্দেশনা হলো, আক্রান্ত অঞ্চলের লোক বাইরে যাবে না এবং বাইরের লোক সেখানে যাবে না। এ সম্পর্কে বিভিন্ন হাদিস এবং ‍উমরে ফারুক রাদি. ও অন্যান্য সাহাবিদের কর্মপন্থা থেকেও পথনির্দেশনা পাওয়া যায়। 

কাজেই বর্তমান পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক স্বাস্থ্যবিধি অবলম্বন করা ও কোয়ারেন্টাইনে থাকা শরিয়ত ও সংবিধান, উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে জরুরি। এ জন্যে সকল মুসলমান নিষেধাজ্ঞা অমান্য করবেন না ও স্বাস্থ্যবিধির প্রতি  উদাসীনতা প্রদর্শন করবেন না। 

এই নির্দেশনা মেনে চলা শরিয়তের বিধান মেনে চলার নামান্তর। এগুলো আমাদের সেই ঈমানি বিশ্বাসের পরিপন্থী নয় যে, যা কিছু আসে, স্রেফ আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। শরিয়ত যেভাবে আমাদেরকে এ আকিদা দিয়েছে, তদ্রূপ শরিয়ত স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশও দিয়েছে।
এর পাশাপাশি অধিক ইসতিগফার, দরুদ শরিফ ও কুরআন তিলাওয়াতের প্রতি মনোযোগ নিবদ্ধ করুন। আল্লাহ তাআলার কাছে নিজের জন্যে ও পুরো বিশ্বের জন্যে রোগমুক্তির দুআ করুন।

মহান আল্লাহ আমাদের সবার ওপর সন্তুষ্ট হোন এবং সবার ওপর রহমত বর্ষণ করুন। আমিন।

মাওলানা আবুল কাসিম নুমানি
মুহতামিম, দারুল উলূম দেওবন্দ
১২ শা‘বান ১৪৪১ হিজরি




জাগো প্রহরী/এইচএইচ This theme has been developed by OURISLABD.

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন