x

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[themebari] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

ভারতে মুসলিমদের ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন বেড়েছে : সাবেক বিচারপতি কাটজু

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...


জাগো প্রহরী : ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি ও প্রেস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান মার্কেন্ডেয় কাটজু বলেছেন, ভারতে মুসলিমদের ওপর অত্যাচার ও নিপীড়ন সম্প্রতি বেড়েছে এবং গণমাধ্যমের কিছু ব্যক্তি মুসলিমদেরকে সন্ত্রাসী ও দেশবিরোধী হিসেবে উপস্থাপন করছে। গত শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি এ সংক্রান্ত মন্তব্য করেন। গত রোববার গণমাধ্যমে তার এ সংক্রান্ত মন্তব্য প্রকাশ্যে এসেছে।

বিচারপতি কাটজু তার মন্তব্যের সপক্ষে উদাহরণ দিয়ে বলেন, মারকাজের তাবলিগ জামায়াতের প্রধান মাওলানা সা’দকে অনেক মিডিয়াওয়ালা ‘শয়তান’ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তার বিরুদ্ধে ৩০৪ ধারা আইপিসির অধীনে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে এবং তার বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগটি নিছক মিথ্যা এবং হাস্যকর বলে মন্তব্য করেন।

বিচারপতি কাটজু বলেন, ‘মুসলিমরা কয়েক দশক ধরে নিজামুদ্দিনের মারকাজে জড়ো হচ্ছে এবং এজন্য তারা মার্চেও তাই করেছিল। মারকাজের অনেক লোক বিদেশ যেমন- মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কিরগিজস্তান ইত্যাদি থেকে এসেছিল এবং সম্ভবত কিছু লোক করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল, যারা অজান্তেই জামায়াতে অন্যদের মধ্যে এই রোগ ছড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু এটি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছিল তা বলা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। সেজন্য মাওলানার বিরুদ্ধে এফআইআর সম্পূর্ণ অন্যায় ও ভিত্তিহীন।’

তিনি বলেন, ‘কিছু লোক জিজ্ঞেস করেন কেন মাওলানা পুলিশে আত্মসমর্পণ করছেন না? কেউ এর সঠিক কারণটি অনুমান করতে পারে না, তবে খুব সম্ভবত তিনি আশঙ্কা করতে পারেন যে, পুলিশের পক্ষ থেকে থার্ড ডিগ্রি (নির্যাতন) প্রয়োগ করা হতে পারে।’

বিচারপতি কাটজু বলেন, ‘সাম্প্রতিক দিল্লির দাঙ্গায় (ফেব্রুয়ারি, ২০২০), মুসলিমরা বাছাই করা গুণ্ডা এবং অসামাজিক কার্যকলাপের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। পুলিশ এক্ষেত্রে নির্বাক দর্শক হয়ে ছিল।’

তিনি বলেন, ‘রাজস্থানের ভরতপুরের এক সরকারি হাসপাতালে একজন গর্ভবতী নারীকে ভর্তি করতে অস্বীকার করা হয়েছিল, কারণ তিনি একজন মুসলিম ছিলেন এবং ফলস্বরূপ তার সন্তান মারা গিয়েছিল।’

বিচারপতি কাটজু বলেন, ‘গণমাধ্যমের কিছু ব্যক্তি করোনাভাইরাস ছড়িয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ভারতীয় মুসলিমদের দোষারোপ করছেন, বিশেষত তাবলিগ জামাতের সাথে যারা যুক্ত তারা এই রোগ ছড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করছেন।’ তিনি এ ব্যাপারে টুইটারে ‘করোনা জিহাদ’, ‘করোনা টেরোরিজম’ ‘করোনা তাবলিগ’ ইত্যাদি ট্রেন্ড করা হয়েছে এবং কয়েক কোটি মানুষ তা দেখেছে বলে মন্তব্য করেন।

বিচারপতি কাটজু আরও বলেন, ‘মূলধারার গণমাধ্যমগুলো বারবার জোর দিয়েছিল যে, তাবলিগ জামায়াতের সদস্যরা ‘সুপার স্প্রেডার’ এবং কেউ কেউ দাবি করেছিল যে, তাদের গুলি করে মারা উচিত। তাদের বিরুদ্ধে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপরে থুথু দেয়া, হাসপাতালের ওয়ার্ডে মলত্যাগ করা, নার্সদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা, প্রস্রাবের বোতল নিক্ষেপ করা, মুরগির বিরিয়ানি দাবি করা ইত্যাদি অভিযোগ করা হয়েছিল এবং বলা হয়েছে যে, তাবলিগিদের উদ্দেশ্য যথাসম্ভব মানুষের মধ্যে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে দেয়া।’

এ ধরনের অপ্রচারকে হিটলারের নাৎসি মন্ত্রী গোয়েবলসের মতবাদের সঙ্গে তুলনা করে এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন বিচারপতি মাইর্কেন্ডয় কাটজু।

সূত্র : পার্স টুডে

জাগো প্রহরী/টিআর 
This theme has been developed by OURISLABD.

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন