প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
পটুয়াখালী শহর প্লাবিত, নিম্নাঞ্চলে পানি থৈথৈ
প্রকাশঃ
0
জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
জাগো প্রহরী : ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে পটুয়াখালীতে ভাঙা বাঁধ ও নতুন করে বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হয়েছে। পটুয়াখালী শহর রক্ষাবাঁধ উপচে শহর প্লাবিত হয়েছে। বুধবার ( ২০ মে ) রাত ১০টার পর শহরে পানি ডুকতে থাকে।
দমকা বাতাসে অনেক কাঁচাঘর, গাছপালা ভেঙে এবং উপড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান জানান, রাঙ্গাবালী, গলাচিপার ও কলাপাড়ার অবস্থা খুবই ভয়ানক। বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি চলে আসছে, প্রচুর ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া দুজন মারা গেছে।
তিনি আরো বলেন, কিছু জায়গায় বাঁধ ভেঙে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির হিসেব তাৎক্ষণিক দেওয়া সম্ভব না।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, জেলার দশমিনা, বাউফল, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী ও কলাপাড়া এলাকার ৫০ এর অধিক চর প্লাবিত হয়েছে। ওইসব নিম্নাঞ্চলের অধিকাংশ রাস্তা এবং বেড়িবাঁধ উপচে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে বাড়িঘর ডুবে গেছে। ভেসে গেছে অনেক চাষির মাছের ঘের। ওইসব এলাকার মানুষ সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছে।
দুমকী উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা রফিক মজুমদার জানান, দুমকী উপজেলার পাংগাশিয়া ইউনিয়নের রাজগঞ্জ এলাকার ওয়াপদা বেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে পায়রা নদীর পানি প্রবল বেগে প্রবেশ করে উত্তর পাংগাশিয়া, দক্ষিণ পাংগাশিয়া, রাজাগঞ্জসহ অন্তত পাঁচ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
অপরদিকে লেবুখালী ফেরিঘাট এলাকা তলিয়ে গেছে। নির্মাণাধীন লেবুখালী সেতুর দক্ষিণপাড়ের সড়ক প্রায় মৌকরণ ব্রিজ পর্যন্ত পানিতে ডুবে গেছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে দুমকি উপজেলার পাংগাশিয়া কলেজ ভবনের চাল উড়িয়ে নিয়ে গেছে।
সদর উপজেলার বাসিন্দা মো. এনামুল রহমান জানান, শহরের পুরান বাজার, নিউ মার্কেট, সেন্টার পাড়া, ৯নং ওয়ার্ড ও পৌর এলাকার বেশ কিছু এলাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসানুজ্জামান জানান, বিপদসীমার ১৭৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পায়রা লোহালিয়া, তেতুলিয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে পানি প্রবেশ করছে।
জাগো প্রহরী/গালিব
This theme has been developed by OURISLABD.

Post a Comment