x

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[themebari] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

গৌরব,ঐতিহ্য ও সাফল্যের ৫৩ বছরে সরকারি তিতুমীর কলেজ

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

জাগো প্রহরী : আজ ৭ মে। গৌরব ও সাফল্যের ৫২ পেরিয়ে ৫৩ বছরে পা দিল শিক্ষার্থী সংখ্যায় এশিয়ার সর্ববৃহৎ বিদ্যাপীঠ সরকারি তিতুমীর কলেজ।

৫৮ হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখরিত থাকে তিতুমীর ক্যাম্পাস। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে শুধুমাত্র উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষাকার্যক্রম চলমান থাকলেও বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক সম্মান এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে।

১৯৬২ ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা সংগ্রামের মাঝামাঝি সময়। বিভিন্ন দাবি আদায়ে প্রায়ই গর্জে উঠছে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র সমাজ। হামিদুর রহমানের শিক্ষা কমিশন ছিলো ছাত্র সমাজের এই প্রতিবাদী ভাষা রোধ করতে ছাত্র রাজনীতি বন্ধসহ শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক নীতির প্রতিফলন। তাই তার বিরুদ্ধে আন্দোলনে যায় এদেশের ছাত্রসমাজ। গর্জে উঠে পূর্ব পাকিস্তান ৷

ছাত্র আন্দোলনে ভীত হয়ে তখনই ছাত্রদের বিভক্ত করতে পরিকল্পনা করে পাকিস্তান সরকার। তারই ধারাবাহিকতা ১৯৬৮ সালে ৭ মে তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের ডিগ্রী শাখাকে আলাদা করে নিয়ে আসা হয় মহাখালীর ডিআইটি খাদ্য গুদামে। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নামে নাম দেয়া হয় জিন্নাহ কলেজ।

শুরুতে জিন্নাহ কলেজ নামে শুরু করলেও ১৯৭১ এর উত্তাল মার্চের শুরুতেই এদেশের ছাত্রসমাজ মুছে ফেলে স্বৈরাচারী পাকিস্তানের স্মৃতি।

১৯৭১ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ইয়াহিয়া খান রেডিও-টেলিভিশনে এক ভাষণে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি স্থগিত ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গে জিন্নাহ কলেজ শাখার ছাত্র সংসদের প্রথম সহসভাপতি (ভিপি) সিরাজউদ্দৌলার নেতৃত্বে টিপু মুনশি ও শাহাবুদ্দিনসহ তৎকালীন কতিপয় ছাত্রনেতা প্রতিক্রিয়া হিসেবে জিন্নাহ্ কলেজের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলেন। তখন আনিসুজ্জামান খোকন (জিন্নাহ কলেজের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক) জিন্নাহ কলেজের নাম ‘তিতুমীর কলেজ’ প্রস্তাব করেন।

২ মার্চ ছাত্রলীগের কর্মীরা মিছিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় জড়ো হলে সেখানে তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম আবদুর রবের মধ্যস্থতায় জিন্নাহ্ কলেজের নাম তিতুমীর কলেজ হিসেবে চূড়ান্ত হয়। ঐ রাতেই তিতুমীর কলেজ নামকরণের সাইনবোর্ড লেখা হয় এবং দেয়ালে টাঙিয়ে দেওয়া হয়। এলাকার কিছু যুবক তিতুমীর নামকরণের ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করে।

তিতুমীর কলেজের গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস স্মরণ করে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আশরাফ হোসেন বলেন, ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সৃষ্টি হওয়া তিতুমীর কলেজ শুরু থেকে দেশে উচ্চ শিক্ষা চাহিদা পূরণ করায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। শুরুতে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রম চললেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সুনামের সাথে দেশের উচ্চ শিক্ষাকার্যক্রমে ভূমিকা রেখেছে কলেজটি। এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়ে শুধুমাত্র স্নাতক ও স্নাতকোত্তর মানের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

জাগো প্রহরী/ফাইয়াজ
This theme has been developed by OURISLABD.

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন