x

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[themebari] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

পাকিস্তানের যে পাঁচটি চীন-নির্মিত অস্ত্র ভারতের আতঙ্ক

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

জাগো প্রহরী : পাকিস্তান যেভাবে তাদের সামরিক অস্ত্রভাণ্ডার গড়ে তুলছে, তাতে বোঝা যায় অস্ত্র সহায়তার জন্য তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে স্বাধীন হতে চায়। পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীগুলো বিশেষ করে বিগত দুই দশকে বিভিন্ন সরঞ্জামের জন্য চীনের দিকে ঝুঁকেছে। তবে, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীকে বহু দিন ধরেই প্রথম সারির রফতানি সরঞ্জামগুলো সরবরাহ করে আসছে চীন। 

ভারতের জন্য এটা উদ্বেগের। কারণ চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জামের মিশ্রন ঘটিয়েছে পাকিস্তান। যে সংমিশ্রণটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। পাকিস্তানের চীনের ঘনিষ্ঠ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে ভারত সরকার এবং ভারতীয় সামরিক বাহিনী বহুবার উদ্বেগ জানিয়েছে। পাকিস্তানের অস্ত্রাগারে কি কি সরঞ্জাম রয়েছে, যেগুলো ভারতকে আতঙ্কিত করে?

পাকিস্তানের কিছু শক্তিশালী সামরিক সরঞ্জামের তথ্য এখানে দেয়া হলো, যেগুলো চীনের কাছ থেকে পাওয়া। 

১. পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি

পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়নের জন্য পাকিস্তান চমৎকারভাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং যুক্তরাষ্ট্রকে এড়িয়ে গেছে। নব্বইয়ের দশকে পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের বিষয়টি পারমাণবিক বিস্তার প্রতিরোধ ব্যবস্থার অন্যতম বড় ব্যর্থতা হিসেবে দেখা হয়। 

ড. এ কিউ খান যদিও এর উন্নয়নের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন, তবু ব্যাপকভাবে ধারণা করা হয় যে, পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচিতে বড় ধরনের সহায়তা করেছে চীন। বলা হয়ে থাকে, চীন পাকিস্তানকে মিসাইলের উপাদান, ওয়্যারহেড ডিজাইন, এবং এমনকি উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরবরাহ করেছে। 

২. বজ্রের স্বাদ: জেএফ-১৭ জঙ্গি বিমান

জেএফ-১৭ জঙ্গি বিমান এখন পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রধান বহুমুখী জঙ্গিবিমান, আগে যে জায়গাটা দখল করে ছিল আমেরিকান এফ-১৬সি বিমানগুলো। 

এই বিমানে বিভিন্ন ধরনের এয়ার-টু-এয়ার এবং এয়ার-টু-গ্রাউণ্ড অস্ত্রাদি যুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে একটিভ রাডার এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল এবং এয়ার-লঞ্চড ক্রুজ মিসাইল। ব্যয়ের দিক থেকে অনেক সাশ্রয়ী হওয়া সত্বেও জেএফ-১৭ বিমানে অনেক ধরনের আধুনিক সক্ষমতা এবং আধুনিক প্রযুক্তি সংযুক্ত রয়েছে। 

৩. বহুমুখী রকেট লঞ্চার, এ-১০০ এমআরএল

এ-১০০ সাম্প্রতিক এমআরএল সিস্টেমগুলোর একটি, যেটা ২০০০ সালের দিকে ব্যবহারের উপযোগিতা পেয়েছে। ২০০৮ সালে প্রথম ইউনিটটি পাকিস্তানের কাছে বিক্রি করে চীন। তখন থেকেই পাকিস্তান এই সিস্টেমের জন্য নিজস্ব রকেট তৈরির জন্য কারখানা স্থাপন করেছে। মাল্টিপল রকেট লঞ্চার (এমআরএল) যুদ্ধক্ষেত্রের কিছু ভয়ঙ্কর মারণাস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি। ডনবাসে যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, কোন ইউনিট অপ্রস্তুত অবস্থায় থাকলে শুধু এমআরএল দিয়েই তাদেরকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেয়া যায়।

৪. আল-খালিদ ট্যাঙ্ক

c377e584c5978d34ad24e5157ad54255ভিটি-১এ, যেটা আল-খালিদ বা এমবিটি-২০০০ নামেও পরিচিত – এটা এই অঞ্চলের সবচেয়ে সক্ষম ট্যাঙ্কগুলোর মধ্যে একটি। এটাও পাকিস্তান আর চীনের যৌথ প্রকল্প এবং কার্যত এটার ডিজাইন করা হয়েছিল একেবারে শূন্য থেকে। এই ট্যাঙ্কগুলোতে থার্মাল গানার সাইটস, প্যানোরামিক কমান্ডারস সাইট, এবং একটি ১২৫ মিলিমিটারের কামান রয়েছে। 

৫. এইচকিউ-১৬

বিমান সুরক্ষার জন্য বিমান বাহিনীর উপর নির্ভরশীল ছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী। তবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এখন চীনা এইচকিউ-১৬ মাঝারি পাল্লার সারফেস টু এয়ার মিসাইল (এসএএম) সিস্টেম কিনেছে।

 HQ-16-02.png88888

পদাতিক শাখা ভূমিতে তাদের গঠন প্রক্রিয়ার সুরক্ষার জন্য এটা ব্যবহার করবে। হামলার জবাব দেয়ার সময়ের সদ্ব্যবহারের জন্য এইচকিউ-১৬ সিস্টেমে ভার্টিক্যাল লঞ্চ এবং কন্টেইনারাইজড মিসাইল রয়েছে। এই অস্ত্রটি রাশিয়ান বুক এসএএম সিস্টেমের আধুনিক রূপ। 

সূত্র : জিভিএস

জাগো প্রহরী/ফাইয়াজ

This theme has been developed by OURISLABD.

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন