x

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[themebari] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

নেপালে ভারতের স্বেচ্ছাচারিতা, রাষ্ট্রদূতকে তলব করলো নেপাল

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

জাগো প্রহরী : নেপালের ভূখণ্ডের উপর দিয়ে ভারত কেন সড়ক নির্মাণ করছে সে বিষয়ে জানতে সোমবার ( ১১ মে ) কাঠমান্ডুতে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করে নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই সড়ক নেপালের সার্বভৌমত্বে আঘাত বলে মনে কর কাঠমান্ডু।

গত শুক্রবার ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ ভিডিও কনফারেন্সে ধারচুলা থেকে চীন সীমান্তে লিপুলেখ পর্যন্ত হিমালয়ের ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রাস্তা উদ্বোধন করেন। রাস্তাটি নির্মাণ হলে নয়াদিল্লির সঙ্গে তিব্বতের মালভূমিতে অবস্থিত সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান কৈলাস-মানস সরোবরের দূরত্ব অনেকটা কমে যাবে।

তবে যে অঞ্চল দিয়ে রাস্তাটি যাচ্ছে তা নিজেদের বলে দাবি করেছে নেপাল। বিষয়টি ভারতের একতরফা স্বেচ্ছাচারিতা আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ গিয়াওয়ালি।

শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, নেপালের অঞ্চল দিয়ে যাওয়া ভারতের সড়ক উদ্বোধনের বিষয়ে সরকার ব্যথিত হয়েছে। ভারতের এই কর্মকাণ্ড ‘দুই দেশ যে বোঝাপড়ায় পৌঁছেছিল তার বিরোধী। ওই বোঝাপড়ায় সীমান্ত সংক্রান্ত ইস্যুগুলো পারস্পারিক আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধান করার কথা হয়েছিল।’

এ বিষয়ে নেপালের অভিযোগ, এ সড়ক উদ্বোধনের মাধ্যমে ভারত দু’দেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি লঙ্ঘন করছে।

কারণ, ১৮১৬ সালের সুগৌলি চুক্তি অনুসারে মহাকালী নদীর পূর্ব দিকের অঞ্চলটি তাদের, যার মধ্যে পড়ে লিম্পিয়াধুরা, কালাপানি এবং লিপুলেখ। তাই ‘নেপালের সীমানা’দিয়ে যে কোনো কাজ ভারত যেন বন্ধ রাখে।

তবে কাঠমাণ্ডুর আনা সীমান্ত লঙ্ঘনসহ সব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে ভারত।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেছেন, উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় ধারচুলা থেকে লাচীন সীমান্তে লিপুলেখ পর্যন্ত সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া রাস্তা পুরোপুরি ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্যেই পড়ে। রাস্তাটি সেখানে আগে থেকে ছিল। ওই রাস্তাটি কৈলাসের মানস সরোবর যাত্রায় তীর্থযাত্রীরা ব্যবহার করে। এখন শুধু তীর্থযাত্রী, স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াত সুগম করতে সেই একই রাস্তা চলাচল উপযোগী করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, আগে মানস সরোবর যাত্রা সম্পূর্ণ করতে ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের তিন সপ্তাহ লাগত। কিন্তু নবনির্মিত ৮০ কিলোমিটার রাস্তাটির মাধ্যমে তা শেষ হবে মাত্র এক সপ্তাহেই।

জাগো প্রহরী/ফাইয়াজ
This theme has been developed by OURISLABD.

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন