x

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[themebari] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

মিয়ানমারের সু কি বদলাতে পারেন, আশা বিদায়ী জাতিসংঘ দূতের

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

জাগো প্রহরী : মিয়ানমারের বিদায়ী জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক দূত ইয়াঙ্ঘি লি বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু কি তার মানবতাবাদী সুনাম বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে এখন নিজেকে বদলাতে পারেন। কিন্তু সমস্যা কবলিত উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইনে যখন লড়াই অব্যাহত রয়েছে, এ অবস্থায় জাতিসংঘ দূতের এই আশাবাদকে বাস্তব মনে হচ্ছে না। 
সূত্র জানিয়েছে রাথেদাউংয়ের কাছাকাছি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বা তাতমাদাও সেখানে তিনটি গ্রামের ঘরে ঘরে গিয়ে আরাকান আর্মির সদস্যদের খুঁজছে। আরাকান আর্মিকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠি ঘোষণা দিয়েছে সরকার। 

এই রিপোর্টের সত্যতা যাচাই করা যায়নি। তবে সূত্র জাইতি পাইন, থার ইয়ার কোন, এবং মাউ তেত গ্রামের নাম উল্লেখ করে আরও জানিয়েছে যে, সাম্প্রতিককালে দুজন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এবং অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে রাখাইন থেকে সংঘর্ষ এখন পাশের চিন রাজ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। 

একটি সূত্র জানিয়েছে যে, “তাতমাদাও তালিকা ধরে প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি গিয়ে গ্রামের সবার ছবি তুলছে”। এদিকে এলাকায় গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে যে, জার্মানি শিগগিরই মিয়ানমারকে দেয়া উন্নয়ন সহায়তা বাতিল করবে এবং সেটা আফ্রিকাকে দেবে। 

জাতিসংঘের হিসেব মতে মার্চের মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলমান সংঘর্ষে অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছে। সামরিক বাহিনী বারবার বলে আসছে কোন বেসামরিক ব্যক্তিকে তারা টার্গেট করছে না। 

ইয়াঙ্ঘি লি বলেন, “আমরা সবাই জানতাম যে সু কিকে গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের প্রতীক হিসেবে মানুষ উল্লেখ করতো, কিন্তু সরকারের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে এবং স্টেট কাউন্সিলের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই, তার সকল কর্মকাণ্ড এবং তার কথাবার্তা, বিবৃতি সবকিছু উল্টা হয়ে গেছে”।

লি আল জাজিরা টেলিভিশন নেটওয়ার্ককে বলেন, “আমি এখনও এটা বিশ্বাস করতে চাই যে, তিনি যে পথে চলছেন, সেটা বদলাবেন, কিন্তু বিশ্ব সম্ভবত জানে না যে তিনি কোন ধরণের ব্যক্তি”। তিনি আরও বলেন যে, সু কির আচার আচরণ ছিল ‘সম্পূর্ণ হতাশাজনক’।

লি কে মিয়ানমারে ঢুকতে বারবার বাধা দেয়া হয়েছে। যেখানে গণহত্যার বিচার এড়িয়ে সামরিক জেনারেলরা তাদের কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে। 

এই জেনারেলদের মধ্যে কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং লাইং, ডেপুটি কমান্ডার-ইন-চিফ সো উইন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থান উ, এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অং অং রয়েছে, যারা জাতিসংঘ-সমর্থিত তদন্তে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ হিসেবে চিহ্নিত। ২০১৭ সালে সাত লক্ষাধিক রোহিঙ্গা মুসলিমদের দেশত্যাগ এবং আরও বহু মানুষকে হত্যার দায়ে তাদেরকে অভিযুক্ত করা হয়। 

তবে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে) এর আগে যে আদেশ দিয়েছে, চলমান যুদ্ধ সেই আদেশের পরিপন্থী কি না, সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 

গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলায় আইসিজে সু কির অবস্থান নাকচ করে দিয়ে আদেশ দেয় যে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় মিয়ানমারকে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং ১৯৮৪ সালের গণহত্যা সনদের রীতিনীতিকে সম্মান করতে হবে। 

আদালত ঘোষণা দেয় যে, প্রাথমিক তথ্য প্রমাণে গণহত্যার আলামত পাওয়া গেছে এবং মিয়ানমারকে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয় যে, সে দেশে প্রায় ছয় লক্ষ রোহিঙ্গা এখনও সামরিক বাহিনীর হামলার আশঙ্কার মধ্যে বাস করছে। 

আইসিজের আদেশে সরকারকে গণহত্যা প্রতিরোধ করার জন্য, সামরিক বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর গণহত্যা তৎপরতা বন্ধের জন্য, এবং এর আগে সঙ্ঘটিত গণহত্যার তথ্য প্রমাণ ধ্বংস করা বন্ধ করার জন্য ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। চার মাসের মধ্যে মিয়ানমারকে তাদের কাজের অগ্রগতি জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়। 

সূত্র : দ্য ডিপ্লোম্যাট

জাগো প্রহরী/ফাইয়াজ
This theme has been developed by OURISLABD.

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন