x

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[themebari] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

৫ মে : শাপলা চত্বরের শহীদ যাহারা

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

জাগো প্রহরী : শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে গভীর রাতে যৌথ বাহিনীর হামলায় শহীদ হন অনেক ভাই ৷  তবে সরকারের ঘোষণা হেফাজতে ইসলামের ঢাকা অবরোধের সময় কেউ নিহত হয়নি! যদিও হেফাজতের পক্ষ থেকে সরকারি দাবিকে মিথ্যাচার বলে বিবৃতি দেয়া হয়। প্রকৃত ঘটনা সচেতন মহলের কাছে গোপন নয়। আমরা এখানে বিভিন্ন সুত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মাত্র কয়েকজন নিহতের (শহীদের) নাম -পরিচয় জাগো প্রহরীর পাঠকদের জন্য
তুলে ধরা হলো :

১.
হাফেয কারী মোয়াজ্জেম হোসেন নানু,
যশোর জেলা সদরে অবস্থিত গ্রামের নাম খড়কি।
তিনি ছিলেন ৫ সন্তানের জনক!
২.
শহীদ আব্দুল হান্নান, নরসিংদি রায়পুরা থানার আরিয়াবাদ (হাই স্কুল সংলগ্ন)
তাঁর দুই ছেল-মেয়ে।
৬ মে সকালে যৌথ বাহিনী মাদানী নগর মাদরাসায় অনাক্রমণ কালে যৌথ বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন।
৩.
শহীদ নূরুল ইসলাম,
ভোলা জেলার দৌলত খাঁ থানার সুবি পরিষদ গ্রাম।
পেশায় মুয়াজ্জিন,
তাঁর ৩ ছেলে ৩ মেয়ে।
৪.
শহীদ হাফেজ নাজরুল ইসলাম,গাবতলী বড় বাজার মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন,
নরসিংদি জেলার মনোহরদি থানার দায়েরের পাড়া গ্রাম।
৫ মে আহত হলে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল ৯ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ১৪ মে শাহাদতববরণ করেন।
৫.
শহীদ রফিকুল ইসলাম মোল্লা,, রক্ত ঝড়া লাশ মিলল কুমিল্লা শহরে,,
ফরিদপুর জেলার মধুখালি থানার মহিষপুর গ্রাম।
তিনি ছিলেন একজন ইমাম, তাঁর ৪ ছেলে।
৬.
শহীদ হাফেজ আতাউর রহমান,
ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানায় তার বাড়ি।
তিনি ৪০ দিনের জন্য তাবলীগ জামাতে অাল্লাহর রাস্তায় বেরিয়ে ছিলেন,
৭.
শহীদ হাফেজ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মোমেনশাহী শহরে তার বাসা।
পরিবারে তারা চার ভাই।
ছোট বেলায় বাবা মারা যান,
ভাইদের সহযোগীতায় তিনি হাফেজ ও অালেম হয়েছিলেন।
৮.
শহীদ শুকুর মাহমুদ, পেশায় ছিলেন একজন কলেজের পিয়ন।
মোমেনশাহী শহরের ৫ কি: দূরে অাজমতপুর গ্রাম।
৯.
শহীদ মুফতি আব্দুল ওয়াহাব,
দাওরা সম্পন্ন করেছেন,, হাটহাজারী মাদরাসা থেকে, ইফতা পড়েছেন লালখান বাজার মাদরাসা থেকে।
তিনি ৪০ দিনের চিল্লা শেষ করে ফিরলেন ঢাকায়,,ইমান রক্ষার আন্দোলনে শরীক হয়ে শহীদ হন।
১০.
শহীদ হাবিবুল্লাহ,, চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার তার বাড়ি,জামিয়া রহসানিয়ার শিক্ষক মাওলানা নোমান সাহেবের ভাইয়েে মাধ্যমে তার সন্ধান মিলে।
তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে যৌথ বাহিনী যখন মাদানী নগর মাদরাসায় হামলা করে তখন তিনি শহীদ হন।
১১.
শহীদ সৌরভ, বি-বাড়িয়া নিজ গ্রাম।
বয়স ১৫, এস এস সি পরিক্ষা সম্পন্ন করেছে মাত্র।
১২.
শহীদ ইউসূফ মোল্লা, বরিশাল জেলার কোতায়ালী থানার রূপালতি গ্রাম।
তার ৩ ছেলে।
১৩.
শহীদ দ্বীন ইসলাম,
মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার নতুন ভাসানচর গ্রাম।
তার ১ ছেলে দুই মেয়ে।
১৪.
শহীদ ইবরাহীম, পটুয়াখালী জেলার চালপাড়া ইইনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামে।
বরিশাল এমসি কলেজ ছাত্র।
১৫.
শহীদ পলাশ, মাদানী নগর এলাকায় তার বাসা।
পরিবারে ৩ ভাই ৪ বোন সবার ছোট সে ।
কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ থানার মেরহ গ্রাম।
১৬.
শহীদ নজির, চাঁদপুর মতলক থানার মিঠুর কান্দি গ্রাম।
দুই ভাই মেয়ে সহ- মাদানীনগর বসবাস করতেন।
১৭.
শহীদ উসমান গণী,নারায়নগঞ্জ রূপগঞ্জ মাসুমাবাদ গ্রাম,
১৮.
শহীদ মাহমুদুল হাসান, নরসিংদি শহরে অদুরে বেলাবোতে থাকতেন।
১৯.
শহীদ মাওলানা মাহমুদুল হাসান, কুমিল্লা জেলার নাঙ্গল কোট থানার শ্রীরামপুর গ্রাম।
তিনি ছিলেন দারুল উলূম দেওবন্দের ফারিগ।
নারায়নগঞ্জ একটি মাদরানার মুহাদ্দিস ছিলেন।
২০.
শহিদ হাফেজ সাইফুল ইসলাম,
ফরিদপুরের শালতা থানারু ইউসূফদিয়া গ্রাম।
তিনি ৪ ভাই ৫ বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন।
২১.
ইসলামি সংগীত শিল্পি শহীদ হাফেজ অাল-অামিন, ঢাকা মেডিকেল মর্গে তার লাশ পাওয়া যায়।
সাভার এক মাদরাসার ছাত্র।
২২.
শহীদ মাওলানা ইউনুস আলী,গাজিপুর জেলার কালিগঞ্জ থানার বাঙ্গাল হাওলা গ্রাম।
বছর দু’এক হয় বিয়ে করেছিলেন ৯ মাসের এক কন্যা শিশু।
২৩.
সিলেট’র শহিদ হাফেজ আনোয়ার জাহিদ, হাটহাজারী মাদরাসার ছাত্র।
দক্ষিণ সুরমা ২৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

সূত্রঃ বিশ্বাসের বহুবচন- রশীদ জামীল

জাগো প্রহরী/আবদুল্লাহ This theme has been developed by OURISLABD.

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন