প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
বড় শক্তি নিয়ে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান উপকূলমুখী
প্রকাশঃ
0
জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
জাগো প্রহরী : প্রায় তিন মাস ধরে করোনাভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধ করছে দেশের মানুষ। এর মধ্যে এবার উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দিয়েছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড় এরই মধ্যে শক্তি সঞ্চয় করে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে।
খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে আজ মঙ্গলবার শেষরাত থেকে আগামীকাল বুধবার বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি।
এরই মধ্যে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে উপকূলীয় ১১টি জেলায় ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত সরিয়ে ৭ নম্বর বিপদসংকেত দেখাতে বলেছে। ঘূর্ণিঝড় ও অমাবস্যার প্রভাবে ১৪টি জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে চার-পাঁচ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে উপকূলীয় জেলাগুলোয় ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রায় ৫১ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান : সর্বশেষ তথ্য মতে, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কেন্দ্রের ৯০ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ২৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
ভারত ও বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ফণী ও সিডরের মতো শক্তি এরই মধ্যে সঞ্চয় করে ফেলেছে আম্ফান। ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২২৪ কিলোমিটার এবং ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরের সর্বোচ্চ গতিবেগ ২২৩ কিলোমিটার।
ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের গতি-প্রকৃতি পর্যালোচনা করে আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ক্রমে শক্তি সঞ্চয় করে আম্ফান যেভাবে অগ্রসর হচ্ছে, তাতে গত বছর এপ্রিলে ফণীর মতো লণ্ডভণ্ড করতে পারে দেশের উপকূল। আম্ফান যখন বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানবে, তখন বাতাসের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৫০ কিলোমিটারের মধ্যে।
আবহাওয়া দপ্তর বলছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় আম্ফান অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। গতকাল রাত ৯টায় এটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে এক হাজার ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিম, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিম এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে ৭ নম্বর বিপত্সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৭ নম্বর বিপদসংকেতের আওতায় থাকবে।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
আবহাওয়া অফিসের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করার সময় সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম জেলাসহ আশপাশের দ্বীপ ও চরে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হবে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় ও অমাবস্যার প্রভাবে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে চার-পাঁচ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়েছে।
তবে ছয় মাস আগে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের সময় বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন যেভাবে বুক চিতিয়ে রক্ষা করেছে উপকূলের মানুষকে, এবারও তেমনটা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র গবেষক ড. মোহন কুমার দাশ কালের কণ্ঠকে বলেন, আম্ফান যখন বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করবে, তখন বাতাসের গতিবেগ থাকতে পারে ১২০ থেকে ১৫০ কিলোমিটারের মধ্যে। আম্ফানের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় প্রচণ্ড ঝড় ও বৃষ্টি হবে।
সরকারের প্রস্তুতি : করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানকে কেন্দ্র করে উপকূলীয় মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে এনে তাদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিয়ে আছে চ্যালেঞ্জ।
যদিও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে দাবি করা হয়েছে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হবে। অন্য ঘূর্ণিঝড়ের সময় যেখানে সারা দেশে পাঁচ হাজার আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হতো, এবারের ঘূর্ণিঝড়ের সময় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে ১২ হাজার ৭৮টি। এটির মূল কারণই হলো করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা।
এরই মধ্যে উপকূলীয় এলাকার ৫১ লাখ ৯০ হাজার ৪২ জনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই উপকূলীয় এলাকার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় আনা শুরু হবে।
গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট জাতীয় দুর্যোগ সমন্বয় সাড়াদান কেন্দ্রের (এনডিআরসিসি) এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দুর্যোগ ব্যবস্থানা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।
সভায় দুর্যোগময় পরিস্থিতি মোকাবেলায় মানুষের জন্য তিন হাজার ১০০ টন চাল, নগদ ৫০ লাখ টাকা, শিশু খাদ্যের জন্য ৩১ লাখ টাকা, পশু খাদ্যের জন্য ২৮ লাখ টাকা এবং ৪২ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দের ঘোষণা দেওয়া হয়।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, এর আগে ঘূর্ণিঝড় ফণীতে ১৮ লাখ এবং বুলবুলের সময় ২৩ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছিল। তিনি জানান, উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকরা মানুষকে সতর্ক করতে মাইকিং শুরু করেছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার ক্ষেত্রে গর্ভবতী নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় মানুষের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
ধান নিয়ে উদ্বেগ : ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে মাঠে থাকা ধান নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় আছে কৃষক। অবশ্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ও বুধবারের মধ্যে আরো কিছু ধান উঠানো সম্ভব হবে। ফলে বোরোর ফলনে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ভারতের ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানার পর বাংলাদেশ উপকূলে আসতে আসতে আম্ফানের শক্তি অনেকটা ক্ষয় হয়ে যাওয়ার কথাও বলেছেন আবহাওয়াবিদরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিনে বোরো ধান ৮০ শতাংশ পরিপক্ব হলে তা দ্রুত কাটার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অধিদপ্তরের সরেজমিন শাখার পরিচালক ড. আলহাজ উদ্দিন আহাম্মেদ গণমাধ্যমকে বলেন, সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৬৩ শতাংশ বোরো ধান উঠানো হয়ে গেছে। আর উপকূলে ৯০ শতাংশ। সব মিলিয়ে এখনো মাঠে ৩৭ শতাংশ বোরো ধান অবশিষ্ট আছে। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, মঙ্গলবার ও বুধবার এই দুই দিনে অবশিষ্ট ধান উঠাতে সক্ষম হবো। বোরো ধানের তেমন ক্ষয়ক্ষতি হবে না। তবে চীনা বাদামের কিছুটা ক্ষতি হতে পারে।’
বন্দর জেটিতে কাজ বন্ধ : আম্ফানের ক্ষতি এড়াতে চট্টগ্রাম বন্দর জেটিতে থাকা ১৬টি পণ্যবাহী জাহাজে পণ্য উঠানামা বন্ধ রেখে সেসব জাহাজ বহির্নোঙরে পাঠানো শুরু হয়েছে। গতকাল বিকেল ৪টা থেকেই পণ্য উঠানামার কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। বন্দরের পাইলটরা রাতের মধ্যেই সব জাহাজ সরিয়ে নেওয়ার কাজ সম্পন্ন করবেন। গত রবিবার থেকেই বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে পণ্য নামানোর কাজ বন্ধ রয়েছে। আর সতর্কতার অংশ হিসেবে কর্ণফুলী নদীতে থাকা ছোট নৌযান ও মাছ ধরার ট্রলারকে শাহ আমানত সেতুর উজানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ গতকাল থেকেই শুরু হয়েছে।
উপকূলবাসীর মধ্যে উদ্বেগ : আমাদের বাগেরহাট প্রতিনিধি জানান, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসার খবরে উপকূলের মানুষের মধ্যে নানা ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। মানুষ ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের গতিবিধি জানার চেষ্টা করছে। আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে জেলার শরণখোলা, মোংলা, মোরেলগঞ্জ ও রামপাল উপজেলার উপকূলবর্তী মানুষের। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দুর্যোগকালীন সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বাগেরহাটে আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। স্থায়ী এবং অস্থায়ী মিলে ৮৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেখানে ছয় লাখ উপকূলবাসী আশ্রয় নিতে পারবে।
কলাপাড়া প্রতিনিধি জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে উঠছে। কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৬৩টি স্কুল, কলেজকাম সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কমসূচি (সিপিপি) ও ফায়ার সার্ভিসকর্মীদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মো. শহিদুল হক।
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি জানান, ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের খবর শুনে উৎকণ্ঠা বাড়ছে মানুষের মাঝে। গতকাল বিকেল থেকে উপজেলা প্রশাসন মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী সব মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলা হচ্ছে। উপজেলার ১০৭টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ওই সব কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরদার মোস্তফা শাহিন জানান, উদ্ধার তৎপরতা, প্রাথমিক চিকিৎসা ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্বেচ্ছাসেবক ও মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে।
সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।
জাগো প্রহরী/গালিব
This theme has been developed by OURISLABD.


Post a Comment