x

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[themebari] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

বাস চলাচলে বিশৃঙ্খলা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

জাগো প্রহরী : করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যেও জীবিকার প্রয়োজনে সরকার সব কিছু সীমিত আকারে খুলে দিয়েছে। কর্মস্থলে ও অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে চলাচল করতে বাস, মিনিবাসসহ অন্যান্য গণপরিবহন চালু হয়েছে গত সোমবার থেকে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে আগের দিনের তুলনায় বাস ও মিনিবাস চলাচল বেশি ছিল। তবে আগের স্বাভাবিক সময়ের মতো গণপরিবহন বাড়েনি। সরকার করোনাকালের জন্য ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়ালেও বাস ও মিনিবাসে তার চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া সব বাসে সামাজিক দূরত্বও বজায় রাখা হয়নি। জীবাণুনাশকের ব্যবহারও সন্তোষজনক ছিল না। মানা হয়নি বাস চলাচলে শৃঙ্খলাও। গণপরিবহন পরিচালনায় তদারকি এবং সমন্বয়ও চোখে পড়েনি। বিআরটিএ থেকে অভিযান চালানো হলেও তা ছিল সীমিত।

এ বিষয়ে বুয়েটের অধ্যাপক ড. সামছুল হক বলেন, তদারকি জোরদার করতে না পারলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘তদারক করতে সব বাস টার্মিনাল ও স্ট্যান্ডে আমরা কমিটি করেছি। এ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। বেশি ভাড়া আদায় করার অভিযোগ যতটা বলা হচ্ছে ততটা না। কারণ বাসে যাত্রীই পাওয়া যাচ্ছে না।’

গতকাল রাজধানীর কুড়িল, বাড্ডা, মিরপুর, বিজয় সরণি, পল্টন, মতিঝিলসহ বিভিন্ন স্থানে যাত্রীর অপেক্ষায় বাস দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। যাত্রীদের সুরক্ষায় কিছু বাসে চালকের সহকারীর হাতে দেখা গেছে জীবাণুনাশক স্প্রে। গাড়িতে উঠানোর আগে যাত্রীদের হাতে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়। তবে অনেক বাসে অর্ধেকের বেশি যাত্রী তোলা হয়। আবার কিছু বাসে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে এক আসন পর পর যাত্রী বসানো হয়। তুরাগ, রাইদা, আকিক, রবরব পরিবহনের বাসে যাত্রী ছিল গড়ে ১০-১২ জন। যাত্রীদের মুখে মাস্ক ছিল। যাত্রাবাড়ী থেকে তুরাগ পরিবহনে মালিবাগ আসেন এহসানুল হক। তিনি বলেন, অনেক দিন পর গণপরিবহনে উঠলাম।’ ওই বাসের চালকের সহকারী রুবেল মিয়া বলেন, ‘রাস্তায় যাত্রী নেই। মানুষ এখনো গ্রাম থেকে আসেনি। অল্প যাত্রী নিয়ে ঘোরাঘুরি করছি। যাত্রী তোলার সময় জীবাণুনাশক দিচ্ছি। আজকে গাড়ি চালিয়ে যে ভাড়া পেয়েছি তাতে আমাদের বেতনও হবে না।’

সকালের দিকে দেখা গেছে, সদরঘাট থেকে ছেড়ে আসা সুপ্রভাত পরিবহনের বাসে যাত্রীরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই চলাচল করছে। তবে পল্টন মোড়ে আসার পর যাত্রীরা হুড়মুড় করে নামছিল। পল্টন থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত আগে ভাড়া দিতে হতো ৩০ টাকা। ৬০ শতাংশ বাড়ানোর পর গত সোমবার থেকে ওই ভাড়া হয়েছে ৪৮ টাকা। তবে কোনো যাত্রীর কাছ থেকে ৫০ টাকা আবার কারো কাছ থেকে ৫৫ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে। সদরঘাট থেকে মিরপুরগামী বিহঙ্গ পরিবহনে যাত্রী উঠানামার ক্ষেত্রে তিন ফুট শারীরিক দূরত্ব রক্ষা করা হয়নি। বর্ধিত ভাড়ার তালিকাও দেখা যায়নি এ বাসে।

গতকাল সকালে বিমানবন্দর সড়কে আব্দুল্লাহপুর থেকে বনানীমুখী বাস চলাচলে আগের মতোই প্রতিযোগিতা লক্ষ করা গেছে। লেনবিধি মেনে চলেনি বাস। অর্ধেক যাত্রী নিয়ে আগে যাওয়ার প্রতিযোগিতা কেন করা হচ্ছে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউ রুটের বাসচালক সাইদুর রহমান বলেন, ‘ট্রিপ বেশি না দিলে চলার মতো আয় হবে না। যাত্রী কম।’

জাগো প্রহরী/এফআর
This theme has been developed by OURISLABD.

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন