x

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[themebari] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা: করোনার ভ্যাকসিন পেতে আড়াই বছর লাগবে

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

জাগো প্রহরী : কবে আসবে করোনার ভ্যাকসিন, তা নিয়ে অপেক্ষায় গোটা বিশ্ব। এরই মধ্যে হতাশার খবর দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির স্পেশাল এনভয় ড. ডেভিড নাবারো জানান, করোনাভাইরাসের কাঙ্ক্ষিত ভ্যাকসিন হাতে পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরও অন্তত আড়াই বছর। এছাড়া আপাতত করোনা থেকে সম্পূর্ণ মুক্তির কোনো উপায় নেই। যদি কেউ এমনটা দাবি করেন, তাহলে তার প্রমাণ দরকার বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে আগস্টেই ভারতের তৈরি করোনা ভ্যাকসিন বাজারে আসতে পারে বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর)। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মহামারী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সুনেত্রা গুপ্ত মনে করছেন, বেশির ভাগ মানুষেরই ভ্যাকসিন নেয়ার প্রয়োজন হবে না। খবর ইন্ডিয়া টুডে ও হিন্দুস্তান টাইমসসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্পেশাল এনভয় ড. ডেভিড নাবারো বলেন, ভ্যাকসিন দেয়ার পর কেউ করোনা থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ হচ্ছে কিনা, তা বুঝতে সময় লাগবে। এছাড়া বিশ্বের প্রত্যেকে ভ্যাকসিন পাচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে হবে।

কিছুদিন আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের আশা, করোনাভাইরাসের কয়েক লাখ ভ্যাকসিন তৈরি হবে চলতি বছরেই। আর পরের বছর শেষ হওয়ার আগেই তৈরি হবে ভ্যাকসিনের ২০০ কোটি ডোজ। বলা হয়, ভ্যাকসিন কাদের প্রথমে দেয়া হবে, সেই পরিকল্পনা তৈরি করার কাজও শুরু করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের আগে দেয়া হবে ভ্যাকসিন। এছাড়া যাদের বয়স বেশি ও অন্য কোনো রোগে আক্রান্ত, তাদেরও দেয়া হবে প্রথম পর্যায়ে। এছাড়া জেল বা হোম, যেখানে বহু মানুষ একসঙ্গে থাকেন, তাদেরও দ্রুত ভ্যাকসিন দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

আগস্টে আসছে ভারতের ভ্যাকসিন : করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দৌড়ে সম্প্রতি নিজেদের নাম লিখিয়েছে ভারত। দেশটিতে তৈরি করোনার প্রথম ভ্যাকসিন আগস্টে ভারতের স্বাধীনতা দিবসের আগেই বাজারে আসতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। ভারত বায়োটেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের (বিবিআইএল) সহযোগিতায় কোভ্যাকসিন নামের ভ্যাকসিনটি বাজারে আনতে যাচ্ছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর)। তবে বাজারে আনার আগে মানবদেহে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে দেখার জন্য দেশের অন্তত ১২টি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আইসিএমআর। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্য বিশাখাপত্তম, রোহতক, দিল্লি, পটনা, বেলগাঁও (কর্নাটক), নাগপুর, গোরখপুর, হায়দরাবাদ, গোয়া, আর্যনগর, কানপুর ও কাট্টানকুলাথুরের (তামিলনাড়ু) প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খুব দেরি হলেও যেন ১৫ আগস্টের মধ্যেই এই ভ্যাকসিন সবার ব্যবহারের জন্য বাজারে নিয়ে আসা যায় সেজন্য সব ধরনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে।

বেশির ভাগ মানুষেরই ভ্যাকসিন লাগবে না : বিশ্বজুড়ে করোনার শতাধিক ভ্যাকসিন নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এর মধ্যে অন্তত ১২টি ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল চলছে। তবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মহামারী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সুনেত্রা গুপ্ত মনে করছেন, বেশির ভাগ মানুষেরই করোনা ভ্যাকসিন (টিকা) নেয়ার প্রয়োজন হবে না। বৃহস্পতিবার হিন্দুস্তান টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, সাধারণ ফ্লু বা জ্বরের ক্ষেত্রে যতটা ঝুঁকি থাকে, করোনার ক্ষেত্রে একজন সম্পূর্ণ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষেরও ঠিক ততটাই ঝুঁকি রয়েছে। যারা বয়স্ক বা যাদের আগে থেকেই কোনো বড় রকমের স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে, কেবল তাদের ক্ষেত্রেই করোনায় বিশেষ ঝুঁকি রয়েছে।

অধ্যাপক গুপ্ত জানান, যাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, কেবল তাদের ক্ষেত্রেই প্রতিষেধক স্বাস্থ্যহানির ঝুঁকি কমানোর পক্ষে সহায়ক হতে পারে। তিনি বলেন, তবে অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রেই এই ভাইরাস নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

জাগো প্রহরী/গালিব
This theme has been developed by OURISLABD.

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন