x

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[themebari] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

পাঠাওয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশি ফাহিম নিউ ইয়র্কে খুন

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

জাগো প্রহরী : বাংলাদেশে মোবাইল অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সার্ভিস ‘পাঠাও’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ যুক্তরাষ্ট্রে নিজ বাসায় খুন হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যানহাটানের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ৩৩ বছর বয়সী এই যুবকের খণ্ড-বিখণ্ড লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিউ ইয়র্ক পুলিশ মনে করছে, ফাহিমকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর মরদেহের পাশে পাওয়া গেছে একটি বৈদ্যুতিক করাত। সেই করাত দিয়ে তাঁর গলা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে কয়েক টুকরা করা হয়েছে। খণ্ডিত বিভিন্ন অংশ অ্যাপার্টমেন্টে ছড়ানো-ছিটানো ছিল এবং কিছু অংশ একটি ব্যাগের ভেতর ভরা ছিল।

ফাহিম চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের হরিসপুরের সন্তান আইবিএমের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার সালেহ আহমেদের ছেলে। তাঁর মা নোয়াখালীর মানুষ।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ফাহিম নিউ ইয়র্ক সিটির পাশে পোকিস্পিতে মা-বাবার সঙ্গে ছিলেন। কয়েক দিন আগে তিনি ম্যানহাটানে নিজের বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে ওঠেন।

প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, গত বছর সাড়ে ২২ লাখ ডলারে ম্যানহাটানের লোয়্যার ইস্ট সাইডে সাফোক স্ট্রিটের ইস্ট হিউস্টন স্ট্রিটের ওপর কন্ডোটি (বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট) কেনেন ফাহিম। স্বল্পভাষী, হাস্যোজ্জ্বল, বন্ধুবৎসল এই যুবকের মৃত্যুর সংবাদে প্রবাসীরা স্তম্ভিত। এই অল্প বয়সেই প্রায় ৫০ কোটি ডলার সম্পদের মালিক হলেও তাঁর কোনো অহমিকা ছিল না বলে প্রতিবেশী ও বন্ধুরা জানিয়েছেন।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, আগের দিন থেকে ফাহিমের কোনো সন্ধান না পেয়ে তাঁর ছোট বোন উদ্বিগ্ন হয়ে ভবনটির সপ্তম তলায় ফাহিমের অ্যাপার্টমেন্টে ছুটে যান। পরে তাঁর ফোন পেয়ে সেখানে পুলিশ যায়। নিউ ইয়র্ক পুলিশের মুখপাত্র সার্জেন্ট কার্লোস নিয়েভেস বলেন, ‘ফাহিমের শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন মাথা, বুক, দুই হাত ও দুই পা পেয়েছি কক্ষের ভেতরেই।’

অ্যাপার্টমেন্টে ঢোকার মুখের সিটিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ বলছে, সোমবার বিকেলে ফাহিম এলেভেটর দিয়ে ওই ভবনে ঢোকার সময় তাঁর পেছনেই একটি স্যুটকেস নিয়ে একজন লোক ঢুকছিলেন। স্যুট পরা ওই লোকের মাথায় টুপি, মুখে মাস্ক ও হাতে গ্লাভস ছিল। ফাহিম তাঁর বাসায় ঢোকার সময় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন; পরে তাঁকে নিস্তেজ করা হয়ে থাকতে পারে। ঘাতককে খুবই চতুর প্রকৃতির হিসেবে বিবেচনা করছে পুলিশ। কারণ ফাহিমের খণ্ডিত দেহ ভরা ছিল প্লাস্টিকের ব্যাগে; পাশে পড়ে থাকা করাতে রক্ত ছিল না। এর অর্থ দাঁড়ায়, আলামত গোপনের চেষ্টা ছিল।

ফাহিম পড়াশোনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম নিয়ে। তিনি রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের অন্যতম উদ্যোক্তা। ২০১৫ সালে নিউ ইয়র্ক থেকে ঢাকায় এসে আরো দুজনের সঙ্গে মিলে পাঠাও চালু করে নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তা হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন তিনি। ফাহিম নাইজেরিয়া ও কলম্বিয়ায় এমন আরো দুটি রাইড শেয়ারিং অ্যাপ কোম্পানির মালিক। ইন্দোনেশিয়াসহ আরো কয়েকটি দেশেও তিনি ব্যবসা বিস্তৃত করেছিলেন। ফাহিম বিনোদনমূলক অ্যাপারেটাস কোম্পানি কিকব্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও অ্যাডভেঞ্চার ক্যাপিটলেরও সহপ্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

 জাগো প্রহরী/গালিব
This theme has been developed by OURISLABD.

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন