প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
এমসি কলেজকাণ্ডে ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততা নেই: লেখক
প্রকাশঃ
0
জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
জাগো প্রহরী : গত শুক্রবার সিলেটের এমসি কলেজে যে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে তার সাথে ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নয় বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এ দাবি করেন লেখক।
লেখক ভট্টাচার্য বলেন, যাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তারা যদি ছাত্রলীগের কোনো পদে থাকত তাহলে আমরা তাকে ছাত্রলীগের বলতে পারতাম। তবে তাদের ছাত্রলীগে কোনো পদ নেই। এমনকি দীর্ঘদিন ধরে এমসি কলেজে ছাত্রলীগের কোনো কমিটিই নেই। ছাত্রলীগ করতে হলে যে সাধারণ যোগ্যতাগুলো থাকা দরকার, সেগুলোও তাদের নেই। তাদের তো ছাত্রলীগ করার বয়সই নেই।
কমিটি নেই তবুও এমসি কলেজে ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এমসি কলেজে ছাত্রলীগের কোনো কমিটি নেই। কমিটি দেওয়ার পরিবেশও নেই। ওখানে তো শিবিরের নেতাকর্মীরা কয়েক দিন পর পর প্রতিপক্ষকে কুপিয়ে থাকে। কমিটি করার পরিবেশ নেই বলেই হয়তো বিগত দিনে যারা ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ছিল, তারা উপযুক্ত কারণেই কমিটি বিলুপ্ত করেছে।
লেখক ভট্টাচার্য বলেন, একটা মানুষ, যাদের ছাত্রলীগ করার ভ্যালিডিটি নেই; তারা সারা জীবন যদি ওখানে বসে থাকে তাহলেও কোনো কমিটির নেতা হতে পারবে না। তাকে কী জন্য ছাত্রলীগ বানানোর চেষ্টা হচ্ছে? ধর্ষকদের ছাত্রলীগের নাম দিয়ে চারদিকে সমালোচনা হচ্ছে। কিন্তু একটি সংগঠনের শীর্ষ নেতা ধর্ষণ করলেন। তাঁকে সেই সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হলো। কিন্তু তা নিয়ে কোনো লেখালেখি নাই।
তিনি বলেন, যারা ধর্ষণের সঙ্গে যুক্ত এদের তো নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতাই নেই। তারা যদি ধর্ষণ না-ও করত তার পরও নেতৃত্বে আসতে পারত না। অথচ তাদের ছাত্রলীগ বলে আপনারা কেন চালাচ্ছেন? আমাদের একটা নির্দিষ্ট চেইন আছে। এর বাইরের লোকের দায়িত্ব আমরা কেন নেব?
পদে না থেকেও ছাত্রলীগের নামে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যারা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করছে, তাদের প্রসঙ্গে লেখক ভট্টাচার্য বলেন, এটা ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমস্যা। সেখানকার কর্তৃপক্ষের উচিত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। এমন তো কোনো উদাহরণ নেই যে ওই সব অপকর্মকারীর বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়েছে, আর আমরা সেটার বিরোধিতা করেছি। যার ছাত্রলীগ করার যোগ্যতা নেই, তাদের ক্যাম্পাসে রাখতে তো আমরা কখনো সুপারিশ করিনি।
প্রসঙ্গত, গত বছর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ার কারণে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর সভাপতি হন আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক হন লেখক ভট্টাচার্য।
জাগো প্রহরী/এফআর
This theme has been developed by OURISLABD.

Post a Comment