x

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[themebari] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

ধর্ষণ ও ‘বিচারহীনতা’র প্রতিবাদে বাম সংগঠনগুলোর ঢাকা-নোয়াখালী লংমার্চ

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...


জাগো প্রহরী : পাহাড়ে সমতলে অব্যাহত ভাবে ধর্ষণ ও ‘বিচারহীনতা’র প্রতিবাদে ৯ দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ থেকে লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে নোয়াখালীর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন ‘ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ’ ব্যনারে বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে শাহবাগে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী জড়ো হয়ে ধর্ষণবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। পরে বেলা পৌনে ১১টার দিকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের দিকে যাত্রা শুরু করেন তারা।

জানা গেছে, কয়েকটি স্থানে থেমে লংমার্চ নিয়ে নোয়াখালীতে যাওয়ার কথা রয়েছে তাদের। শাহবাগ থেকে পায়ে হেঁটে প্রথমে রাজধানীর গুলিস্থানে যাবেন তারা। পরে বাসে করে যাবেন নারায়ণগঞ্জ। সেখানে লংমার্চ পরবর্তী সমাবেশ করবেন। এরপর দুপুরের খাবার শেষ করে বিকালে কুমিল্লায় গিয়ে থামবেন। সেখানে লংমার্চ করে আবার সমাবেশ করবেন। রাতের খাবার শেষ করে রাতে ফেনীতে গিয়ে রাতযাপন করবেন। তারপর ১৭ অক্টোবর নোয়াখালী শহরের মাইজদীতে গিয়ে লংমার্চ পরবর্তী সমাবেশ করে শনিবার ঢাকা ফিরবেন লংমার্চ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স জানান, নোয়াখালীতে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী যাচ্ছেন। প্রথমে গুলিস্তান থেকে সাতটি বাসে যাত্রা শুরু করবেন তারা। পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে আরও পাঁচটি বাস যুক্ত হবে। মোট ১২টি বাসে পাঁচ শতাধিক আন্দোলনকারী লংমার্চ নিয়ে নোয়াখালী যাবেন।

লংমার্চে অংশগ্রহণকারী ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল বলেন, ‘ধর্ষণবিরোধী ৯ দফা কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমাদের প্রতিবাদ চলছে।

লংমার্চ কর্মসূচি ৯ দফা দাবি হলো:

১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার সঙ্গে যুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ধর্ষণ নির্যাতন বন্ধ ও বিচারে ব্যর্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে।

২. পাহাড়-সমতলের নারীদের ওপর সামরিক-বেসামরিক সব ধরনের যৌন ও সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।

৩. হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে নারী নির্যাতনবিরোধী সেল কার্যকর করতে হবে। বাংলাদেশকে সিডো সনদে স্বাক্ষর পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে। নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আইন ও প্রথা বিলোপ করতে হবে।

৪. ধর্মীয়সহ সব ধরনের সভা-সমাবেশে নারীবিরোধী বক্তব্য শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে। সাহিত্য, নাটক, সিনেমা ও বিজ্ঞাপনে নারীকে পণ্য হিসেবে উপস্থাপন বন্ধ করতে হবে। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণে বিটিসিএলের কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। সুস্থ ধারার সাংস্কৃতিক চর্চায় সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিতে হবে।

৫. তদন্তকালীন ভিকটিমকে মানসিক নিপীড়ন-হয়রানি বন্ধ করতে হবে। ভিকটিমের আইনগত ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

৬. অপরাধ বিজ্ঞান ও জেন্ডার বিশেষজ্ঞদের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়িয়ে অনিষ্পন্ন সব মামলা দ্রুত নিষ্পন্ন করতে হবে।

৭. ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন-১৮৭২ এর ১৫৫(৪) ধারা বিলোপ করতে হবে এবং মামলার ডিএনএ আইনকে সাক্ষ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে কার্যকর করতে হব।

৮. পাঠ্যপুস্তকে নারীর প্রতি অবমাননা ও বৈষম্যমূলক যেকোনো প্রবন্ধ, নিবন্ধ, পরিচ্ছেদ, ছবি, নির্দেশনা ও শব্দ পরিহার করতে হবে।

এবং ৯. গ্রামীণ সালিশের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।

লংমার্চ কর্মসূচিউল্লেখ্য, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে গত ৫ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে গণজমায়েত কর্মসূচি শুরু করেন বামপন্থী কয়েকটি ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এরপর শাহবাগে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। এবার লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে ‘ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে ঢাকা থেকে নোয়াখালী লংমার্চ’ কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

জাগো প্রহরী/এফজে

This theme has been developed by OURISLABD.

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন