x

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Themebari

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[themebari] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

চুরির অভিযোগ মাকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, দুধ খেতে না পেয়ে শিশুর কান্না

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...


জাগো প্রহরী :
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে চোর সন্দেহে এক আদিবাসী নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের মালিরচালা গ্রামে। নির্যাতিতা নারী সন্ধা রানীর (৩৫) স্বামীর নাম নারায়ণ বর্মণ। এ ব্যাপারে রবিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে নির্যাতিত নারী বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নির্যাতিতা সন্ধা রানী দুই ছেলে ও এক মেয়ের জননী। তার ছোট ছেলে পলাশ (৮) একই গ্রামের মনিরুল ইসলাম ভূইয়ার পরিবারের ছেলে মেয়েদের সাথে প্রায়ই খেলা করতো। ঘটনার ১৫ দিন আগে পলাশ মনিরুল ভূইয়ার বাড়ি থেকে ঘুড়ি বানানোর জন্য পত্রিকা নিয়ে আসে এবং তার সন্তানদের সঙ্গে ঘুড়ি ওড়ায়। হঠাৎ মনিরুলের বাড়ি থেকে স্বর্ণ ও টাকাসহ মূল্যবান কাগজপত্র চুরি যায়। এ ঘটনার জের ধরে ৩ জানুয়ারি শিশু পলাশকে তারা বাড়ি ধরে নিয়ে মারধর করে এবং মালামাল চুরি করে তার মায়ের কাছে জমা দেওয়ার স্বীকারোক্তি আদায় করে। ৯ জানুয়ারি মনিরুলের দুই বোন খুকি (৩৭) ও সুমি আক্তার (৩২) সন্ধা রানীর বাড়ি গিয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যান। পরে তারা সন্ধাকে বাড়ির পাশের একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। এসময় মনিরুল ভূইয়া তার দুই ছেলে মোস্তফা ও দুই বোন মিলে তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

মামলার আসামি মোস্তফা ভূইয়া বলেন, আমার ছোট বোনের গহনা চুরি করে সন্ধা রানীর ছেলে পলাশ। সে চুরি করা গহনা তার মায়ের কাছে জমা দেয়। বারবার চাইলেও তারা দেয় না। তাই আমার ছোট বোন সুমি সন্ধা রানীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। আমরা কিছু জানি না।

প্রত্যক্ষদর্শী মহানন্দ চন্দ্র বর্মন বলেন, ঘটনার দিন সন্ধা থেকে প্রায় চার ঘণ্টা সন্ধা রানীকে বেঁধে রাখা হয়। এসময় তার ৬ মাসের শিশু বাচ্চাকে মায়ের বুকের দুধও খেতে দেয়নি। পরে আমি দুই বন্ধুর সহযোগীতায় সন্ধা রানীকে উদ্ধার করি। বর্তমানে তিনি আমার বাড়িতে আছেন।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. ছাইফুল ইসলাম বলেন, মামলার তদন্ত কাজ চলমান রয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

জাগো প্রহরী/এফআর

This theme has been developed by OURISLABD.

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন